সাব্রুম, নবারুন চক্রবর্তী, ১১জানুয়ারী২০২৬,রবিবার: মৃণাল দাস (৪৮)। তিনি একজন কৃষক। মৌসুম অনুযায়ী বিভিন্ন রকমের আলু যেমন বীজ উদয়ন,হিমালিনি,মোহন, করলা, রাজমা,পটল,পেয়াজঁ,বরবটিসহ নানা প্রকার শাক সবজি চাষ করেন পাশাপাশি বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ও চাষ করে।
শাক-সবজি চাষ করে নিজ পরিবারের চাহিদা মিটিয়ে স্থানীয়ভাবে বিক্রি করে প্রতি মাসে খরচ বাদে তার আয় হচ্ছে ৩০-৪০হাজার টাকা। কঠোর পরিশ্রম আর নিজের ইচ্ছা শক্তিকে কাজে লাগিয়ে স্বাবলম্বী হওয়া যায় তার বাস্তব দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন কৃষক মৃনাল দাস।
কৃষক মৃনাল দাস সাব্রুম মহকুমা অন্তর্গত ছোটকিল গ্রামের সন্তান। শাক-সবজি পরিচর্যা আর বিক্রি সব কিছুই তিনি নিজে করছেন। সবজি চাষে কম খরচে অধিক লাভ হওয়ায় তিনি এখন বছর জুড়ে নানা প্রকারের শাক সবজি চাষ করে আসছেন। আর এই চাষে ঘুছিয়েছেন পরিবারের অভাব অনটন। তিনি জমিতে শাক-সবজি পরিচর্যার পাশাপাশি বিক্রির জন্য শাক-সবজি তুলছেন। শাক-সবজির পরিচর্যা আর বিক্রি নিজেই করছেন। স্থানীয় পর্যায়েও রয়েছে তার শাক-সবজির ভালো কদর।
কৃষক মৃণাল দাস জানান সাতচাদ আর ডি ব্লকের অধীনে কৃষকদের জন্য সরকার কর্তৃক যে সমস্ত প্রজেক্ট আনা হয়েছে তার সব ধরনের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে তিনি বিভিন্ন রকমের সবজি চাষ করতে আগ্রহী হয়ে উঠেন এবং বর্তমানে সাবরুম মহকুমারের মধ্যে সরকারের কর্তৃক অনেকগুলা পুরস্কারও উনি পেয়েছেন।
স্থানীয় কৃষি অফিসের পরামর্শে বাড়ি সংলগ্নে ৮কানি জমিতে তিনি রাজমা, ডাঁটাশাক, পটল, বেগুন দিয়ে তার যাত্রা শুরু করেন। ফলন ভালো হওয়ায় নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে খরচ বাদে ভালো টাকা আয় হয়। এরপর শাক সবজি চাষের প্রতি তার মনোবল আরো বেড়ে যাওয়ায় বর্তমানে মৌসুম অনুযায়ী সারা বছরই শাক-সবজির পাশাপাশি মাছ ও চাষ করছেন।
গোটা দক্ষিণ জেলার মধ্যে মৃনাল বর্তমানে একজন আদর্শ কৃষক। তিনি বারমাসই নানা প্রকার শাক-সবজি মাছ বিক্রি করে আসছেন। শাক-সবজি ফসল উৎপাদনে সরকারি যত সহায়তা রয়েছে তাকে দেয়া হচ্ছে।









Leave a Comment