---Advertisement---

মাসির বাড়ি যাওয়ার আগেই থামিয়ে দেওয়া হয় পুরীর রথ, শুক্রবার ফের যাত্রা

By Suman Debnath

July 17, 2026 11:10 AM

মাসির বাড়ি যাওয়ার আগেই থামিয়ে দেওয়া হয় পুরীর রথ, শুক্রবার ফের যাত্রা

---Advertisement---


প্রবল ভিড়, পদপিষ্ট হয়ে ভক্তদের মৃত্যু এবং বহু পুণ্যার্থীর অসুস্ত হয়ে পড়ার জেরে বৃহস্পতিবার শেষ হল না পুরীর ঐতিহ্যবাহী রথযাত্রা। দীর্ঘক্ষণ চেষ্টা করেও জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার রথ গুণ্ডিচা মন্দিরের উদ্দেশে রওনা দেওয়া সম্ভব হয়নি। রাত পর্যন্ত পরিস্থইতির উন্নতি না হওয়ায় মন্দির কর্তৃপক্ষ ঘোষণা করে, বৃহস্পতিবারের জন্য রথযাত্রা স্থগিত রাখা হচ্ছে। শুক্রবার সকাল থেকে পুনরায় যাত্রা শুরু হবে।

প্রতি বছরের মতো এবারও রথযাত্রাকে ঘিরে পুরীতে ভিড় উপচে পড়েছিল। দেশ-বিদেশের লক্ষ লক্ষ ভক্ত বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে জগন্নাথদেবের দর্শন করতে এসেছিলেন। সেই বিপুল জনসমাগমের মধ্যেই রথে কাছে পৌঁছনোকে ঘিরে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। ভিড়ের চাপে অন্তত ১২০ জন পুণ্যার্থী পদপিষ্ট হন। তাঁদের দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে জানা যায়, ওই ঘটনায় কমপক্ষে ২ জন ভক্তের মৃত্যু হয়েছে। অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে তিনটি রথই সয়ম মতো গুণ্ডিচা পৌঁছতে পারেনি।

আরও পড়ুন:  শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে ১৭ দিন ধরে অনশনে সোনম ওয়াংচুক! ভাঙছে শরীর, উদ্বেগে শিক্ষিত সমাজ

বৃহস্পতিবার রথযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহনচরণ মাঝি এবং তাঁর মন্ত্রীসভার একাধিক সদস্য। তাঁরা রথে রশিতেও টান দেন। তবে বিপুল ভিড়ের কারণে মাঝপথেই যাত্রা থামিয়ে দেওয়া হয়। মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শুক্রবার সকাল থেকে ফের রথযাত্রা শুরু হবে এবং প্রচলিত নিয়ম মেনেই তিনটি রথ গুণ্ডিচা মন্দিরে যাবে।

ওড়িশা স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে খবর, আহত ও অসুস্থ বহু পুণ্যার্থী এখনও বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। অধিকাংশই ভিড়ের চাপ, শ্বাসকষ্ট এবং ডিহাইড্রেশনের কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁদের পুরী জেলা হাসপাতাল-সহ একাধিক চিকিৎসাকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়।

রথযাত্রাকে ঘিরে আগেভাগেই বিস্তৃত নিরাপ্তা ব্যবস্থা নিয়েছিল ওড়িশা সরকার। মন্দির চত্বর ও আশপাশের এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছিল হাজার হাজার পুলিশকর্মী এবং দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী। পাশাপাশি দমকল ও চিকিৎসক দলকেও রাখা হয়েছিল। জরুরি পরিস্থিতরে দ্রুত উদ্ধারকাজ চালানোর জন্য বিশেষ উদ্ধারপত আগে থেকেই নির্ধারণ করা হয়েছিল।

আরও পড়ুন:  তামিলনাড়ুতে গো-হত্যা নিষিদ্ধের নির্দেশে স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের

পুলিশের তরফে লাগাতার মাইকিং করে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছিল। ভক্তদের নির্দিষ্ট পথ ব্যবহার করে দর্শন করার এবং নিরাপত্তাকর্মীদের নির্দেশ মেনে চলার আবেদন জানানো হয়। এত প্রস্তুতির পরও পদপিষ্ট হয়ে প্রাণহানির ঘটনা এড়ানো যায়নি।

 

 

---Advertisement---

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment