---Advertisement---

উত্তেজনার মাঝেও ইরানের প্রশংসায় ট্রাম্প

By Suman Debnath

July 16, 2026 3:30 PM

উত্তেজনার মাঝেও ইরানের প্রশংসায় ট্রাম্প

---Advertisement---


বুধবার (১৫ জুলাই) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প জানান, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসনের সময় ইরানে আটক হওয়া এক মার্কিন নাগরিককে দেশ ছাড়ার অনুমতি দিয়েছে তেহরান।


ট্রাম্প তার পোস্টে লেখেন, ‘তিনি এখন নিরাপদে ইরানের বাইরে আছেন এবং সুস্থ রয়েছেন। ইরানের এই সদিচ্ছাপূর্ণ পদক্ষেপকে যুক্তরাষ্ট্র প্রশংসার সঙ্গে গ্রহণ করছে।’


মানবাধিকারবিষয়ক আইনজীবী জ্যারেড জেনসার জানান, মুক্তি পাওয়া ওই মার্কিন নাগরিকের নাম ডেনা কারারি। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর থেকে তিনি ইরান ছাড়তে পারছিলেন না।


এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যখন সামরিক উত্তেজনা তুঙ্গে, ঠিক তখনই এ ঘোষণা এলো। হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে দুই দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এর জবাবে তেহরানও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে।

আরও পড়ুন:  স্থানীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ৩১ জুলাই পর্যন্ত ভোটার হওয়ার সুযোগ


দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা কমাতে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় একটি কাঠামোগত সমঝোতার উদ্যোগ থাকলেও সাম্প্রতিক সংঘাতের কারণে তা কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়েছে।


মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হোয়াইট হাউস ও জিম্মিবিষয়ক প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূতের দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও কারারির মুক্তির বিষয়ে ট্রাম্প আর কোনো বিস্তারিত তথ্য জানাননি।


জেনসার জানান, কারারি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে ফেরার পথে রয়েছেন। তাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে ট্রাম্প প্রশাসনের ভূমিকারও প্রশংসা করেন তিনি। তার ভাষায়, ‘তারা সম্ভাব্য সব দিক থেকেই সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন।’


আইনজীবীর দাবি, বুধবারের আগে ডেনা কারারির বিষয়টি জনসমক্ষে আসেনি। তিনি পারিবারিক সদস্যদের সঙ্গে দেখা করতে ইরানে গিয়েছিলেন। কিন্তু ফেরার সময় বিমানবন্দরে তার মার্কিন ও ইরানি—উভয় পাসপোর্ট জব্দ করা হয় এবং দেশত্যাগে বাধা দেওয়া হয়।


আরও পড়ুন:  উত্তাল সাগরে উপকূলে ট্রলার | Amar Bangla BANGLADESH

জেনসার বলেন, পরবর্তী সময়ে তাকে বহুবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং কার্যত জোরপূর্বক দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার মধ্যে রাখা হয়।


তার দাবি, কারারি ‘চিলড্রেন অব মেহর ফাউন্ডেশন’ নামে একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, যা ব্যক্তিগত অনুদান এবং যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের আওতায় ইরানের দরিদ্র শিশুদের সহায়তা করত। এ কারণেই তিনি কর্তৃপক্ষের নজরদারির মধ্যে পড়েছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।


জেনসার আরও জানান, চলতি বছরের এপ্রিলে অজানা কারণে কারারির ওপর আরোপিত দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা উঠে যায় এবং তিনি পাসপোর্ট ফিরে পান। এরপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সমঝোতা নিয়ে আলোচনা শুরু হলে তাঁর মুক্তির বিষয়টি আলোচকদের কাছে গুরুত্বসহকারে তুলে ধরা হয়।


সবশেষ বুধবার তিনি সীমান্ত অতিক্রম করে নিরাপদে ইরান ত্যাগ করতে সক্ষম হন বলে জানান তার আইনজীবী।


আমার বাঙলা/ রাব্বি

---Advertisement---

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment