---Advertisement---

খামারবাড়িতে তরুণীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ, উত্তরপ্রদেশে ধৃত ২ পুলিশকর্মী ও ২ সিআরপিএফ জওয়ান

By Suman Debnath

September 24, 2026 11:20 AM

খামারবাড়িতে তরুণীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ, উত্তরপ্রদেশে ধৃত ২ পুলিশকর্মী ও ২ সিআরপিএফ জওয়ান

---Advertisement---


যোগীরাজ্যে ফের গণধর্ষণ। এবার উত্তরপ্রদেশের আমরোহায় একটি খামারবাড়িতে ২৪ বছর বয়সি এক তরুণীকে যৌন নির্যাতনের (UP Rape Case) অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় দুই সিআরপিএফ জওয়ান (CRPF) এবং হাসানপুর থানার দুই পুলিশকর্মীকে (UP Police) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। স্থানীয় পুলিশ সূত্রে খবর, যে খামারবাড়িতে ঘটনাটি ঘটেছে (UP Rape Case), সেটির মালিক উত্তরখণ্ডের এক নির্দল বিধায়ক।

নির্যাতিতা হরিয়ানার ফতেহাবাদের বাসিন্দা। উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন ধর্মীয় স্থান ঘুরে দেখার পরিকল্পনা করেছিলেন তিনি। সেই সূত্রে এক পরিচিতের মাধ্যমে মুজফরনগরের বাসিন্দা সিআরপিএফ (CRPF) জওয়ান মোহিতের সঙ্গে তাঁর পরিচনয় হয়। গত সোমবার সোনিপতে মোহিতের সঙ্গে দেখা করেন ওই তরুণী। সেখান থেকে তাঁরা মেরঠে যান। সেখানে তাঁদের সঙ্গে যোগ দেন সিআরপিএফের (CRPF) আরও এক জওয়ান লালারাম যাদব।

আরও পড়ুন: যমুনা এক্সপ্রসেওয়েতে ভয়াবহু দুর্ঘটনা, আগুনে পুড়ে মৃত ৯, জানলা দিয়ে ঝাঁপ দিয়ে প্রাণ বাঁচালেন যাত্রীরা

পরের দিন দুই জওয়ান (CRPF) গাড়িতে করে তরুণীকে হাসানপুরের দিকে নিয়ে যান। পথে সঞ্জয় তোমর নামে হাসানপুর থানার এক পুলিশকর্মী (UP Police) তাঁদের সঙ্গে যোগ দেন। পরে তাঁরা আত্রাসি-হাসানপুর সড়কের ধারে একটি খামারবাড়িতে যান। সেখানে দু’টি ঘর ভাড়া নেওয়া হয়েছিল। হাসানপুর থানার আর এক পুলিশকর্মী প্রমোদও আগে থেকেই সেখানে ছিলেন বলে অভিযোগ।

তরুণীর অভিযোগ, ওই রাতে দুই সিআরপিএফ জওয়ান এবং এক পুলিশকর্মী তাঁকে ধর্ষণ করেন। অপর পুলিশকর্মী তাঁকে ধর্ষণের (UP Rape Case) চেষ্টা করলে তিনি সেখান থেকে পালিয়ে অন্য একটি ঘরে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন।

আরও পড়ুন: ‘বিদ্বেষপূর্ণ অপপ্রচার’: রাষ্ট্রসঙ্ঘে সিন্ধু জল চুক্তি নিয়ে পাকিস্তানের চিঠির তীব্র সমালোচনা ভারতের

বুধবার ভোরে ওই ঘর থেকেই কোনওরকমে থানায় যোগাযোগ করেন তরুণী। খবর পেয়ে হাসানপুর এবং রাজবপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁকে উদ্ধার করে। গ্রেপ্তার করা হয় চার অভিযুক্তকে। চারজনের বিরুদ্ধে অপহরণ, প্রলোভন দেখিয়ে অপহরণ এবং গণধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আমরোহার পুলিশ সুপার লক্ষ্ণ সিং যাদব জানিয়েছেন, চার অভিযুক্তই বর্তমানে জেল হেফাজতে রয়েছে।

অভিযুক্ত দুই পুলিশকর্মীর (UP Police)মধ্যে একজনকে ইতিমধ্যেই সাসপেন্ড করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে। দুই সিআরপিএফ (CRPF) জওয়ানের বিরুদ্ধেও কড়া পদক্ষেপ করার জন্য বাহিনীর কাছে সুপারিশ করা হয়েছে।

দেখুন:

---Advertisement---

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment