সবজির দাম ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী, বেগুন সেঞ্চুরি পার করেছে, নাভিশ্বাস মধ্যবিত্তের

By Suman Debnath

July 31, 2026 1:50 PM

সবজির দাম ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী, বেগুন সেঞ্চুরি পার করেছে, নাভিশ্বাস মধ্যবিত্তের


শহর থেকে গ্রামবাংলা-বাজারে গিয়ে এখন দামের ছ্যাঁকা খেতে শুরু করেছে রাজ্যবাসী। কারণ সবজি থেকে ডিম সবকিছুর দাম এমন পর্যায়ে বেড়ে গিয়েছে যার ফলে মধ্যবিত্তের নাভিশ্বাস উঠেছে। কাঁচালঙ্কা থেকে শুরু করে ঝিঙে, পটল, পেঁপে, করলা, টম্যাটো-সহ অন্যান্য সবজিরও দাম আকাশছোঁয়া হয়ে গিয়েছে। গৃহস্থরা বাজারে গিয়ে রীতিমতো চাপে পড়ে যাচ্ছেন। কারণ বেশিরভাগ সবজির দাম একশো টাকার কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে। কয়েকটি সবজি তো সেঞ্চুরি পার করে দ্রুত গতিতে ছুটছে। তাতে মধ্যবিত্তের পকেটে চাপ বেড়ে গিয়েছে।

কাঁচালঙ্কার দাম ১৬০ টাকা কেজি হয়ে গিয়েছে। বেগুন ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ফলে বাড়তি রেস্ত বেরিয়ে যাচ্ছে। এই নিয়ে আমজনতা রীতিমতো ক্ষুব্ধ। তাঁরা বাজার নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করতে শুরু করেছেন। এই বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে প্রশাসনের পক্ষ থেকে। এখন বর্ষাকাল। তার মধ্যে সবজির আগুন দর হওয়ায় ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে ঝামেলা লেগে যাচ্ছে। লেক মার্কেট, গড়িয়াহাট মার্কেট, শিয়ালদহ বাজার থেকে শুরু করে মানিকতলা-সর্বত্র একই ছবি দেখা যাচ্ছে। সবজির দাম নিয়ে নাজেহাল অবস্থা তৈরি হয়েছে।

আরও পড়ুন:  ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে এবার ময়দানে মুখ্যমন্ত্রী, স্বাস্থ্য ভবনে মঙ্গলবার বৈঠক

গ্রামবাংলাতেও ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাজারগুলিতেও দাম খুব বেড়েছে সবজির। উত্তর ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলিতেও আকাশছোঁয়া দাম নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন মানুষজন। এখানেই শেষ নয়, উত্তরবঙ্গে বাজারদর ভয়ানক জায়গায় পৌঁছে গিয়েছে। কাঁচালঙ্কা ১৪০-১৬০ টাকা কেজি। পটল ৭০-৮০, কাঁচা পেঁপে ৪০, করলা ৬০-৮০, ঢেঁড়স ৫০-৬০, পাহাড়ের মূলা ৭০, কোয়াশ ৪০, ফুলকপি ৮০-৯০, কাঁকরোল ৬০-৮০, ক্যাপসিকাম ১৫০, আলু ২০, পেঁয়াজ ৪০ এবং টম্যাটো ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কলকাতা থেকে শুরু করে গ্রামবাংলার বাজারে বেগুন ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

তাছাড়া কাঁচালঙ্কার দাম ২০০ টাকা কিলো কলকাতার বাজারে। আদা ও রসুন ৫০০, শসা ৫০ এবং ঝিঙে ৭০ টাকা কেজি দরে বিকোচ্ছে। বেগুন ১২০, কাকরোল ৭০, ঢেঁড়স ৭০ এবং পটল ৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। শোলা কচু গোটা ২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এই দামের জেরে এক গৃহস্থ গোপাল ঘোষ বাজারে দাঁড়িয়ে বললেন, ‘এত দাম দিয়ে সবজি কিনে খাওয়া সম্ভব নয়। সবজির দাম অস্বাভাবিক হয়ে গিয়েছে। কবে কমবে জানি না। ডিমের দাম ৮ টাকা পিস হয়ে গিয়েছে। কোনও লাগাম নেই দামে।’ যদিও কয়েকজন ব্যবসায়ীর বক্তব্য, খামখেয়ালি বৃষ্টির জেরে গ্রামীণ এলাকায় এবং বন্যায় প্রতিবেশী রাজ্য অসমে সবজির উৎপাদন মার খেয়েছে। যার প্রভাবে বাজারে দাম কিছুটা বেড়েছে।

আরও পড়ুন:  ‘চল রাস্তায় সাজি ট্রামলাইন’, জঙ্গি হামিমের সঙ্গে অর্পিতার উদ্দাম প্রেম হার মানাবে সিনেমাকে

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment