রাষ্ট্রসঙ্ঘে ফের উঠল কাশ্মীর প্রসঙ্গ (Kashmir Issue)। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিচেপ তায়িপ এর্ডোগান (Recep Tayyip Erdogan) কাশ্মীর প্রসঙ্গ(Kashmir Issue) তোলেন। ৮১ তম রাষ্ট্রসঙ্ঘের (UN) সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখআনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন বিরোধ তুলে ধরার পাশাপাশি কাশ্মীর সমস্যাও (Kashmir Issue) আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পক্ষে সওয়াল করেন। রাষ্ট্রসঙ্ঘের সনদ (UN) এবং সংশ্লিষ্ট প্রস্তাবের কাঠামোর মধ্যেই আলোচনার মাধ্যমে এই ধরনের সমস্যার সমাধান হওয়া উচিত বলে তিনি মনে করেন।
এর্ডোগান (Recep Tayyip Erdogan) বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় কাশ্মীর-সহ সমস্ত বিরোধ আলোচনার মাধ্যমে মেটানো জরুরি। আর তা রাষ্ট্রসঙ্ঘের (UN) সনদ ও প্রাসঙ্গিক প্রস্তাবের কাঠামো মেনেই হওয়া উচিত বলে তিনি মনে করেন। তুরস্কের প্রেসিডেন্টের (Recep Tayyip Erdogan) এই মন্তব্যের পর ভারতের তরফে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া আসেনি।
আরও পড়ুন: উত্তরপ্রদেশে ভয়াবহ কাণ্ড! স্ত্রী ও দুই পুরোহিতকে খুন, তিন সন্তানকে পণবন্দি, অবশেষে এনকাউন্টারে মৃত্যু এক যুবকের
কাশ্মীর নিয়ে এর্ডোগানের (Recep Tayyip Erdogan) এই বক্তব্য নতুন কিছু নয়। গত বছরও রাষ্ট্রসঙ্ঘের (UN) সাধারণ সভায় তিনি কাশ্মীর সমস্যা (Kashmir Issue) আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের কথা বলেছিলেন। সেই সময় নয়াদিল্লি স্পষ্ট জানিয়েছিল, জম্মু ও কাশ্মীর (Kashmir Issue) নিয়ে ভারতের অবস্থানে কোনও পরিবর্তন হয়নি এবং ভারত ও পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক বিষয়ে তৃতীয় পক্ষের মধ্যস্থতার কোনও প্রয়োজন নেই।
এর আগেও একাধিকবার রাষ্ট্রসঙ্ঘের (UN) মঞ্চে কাশ্মীর প্রসঙ্গ (Kashmir Issue) তুলেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এর্ডোগান (Recep Tayyip Erdogan) । ২০২০, ২০২২ এবং ২০২৩ সালেও তাঁর বক্তব্যে এই বিষয়টি উঠে এসেছিল। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে পাকিস্তান সফরের সময়ও এর্ডোগান ভারত ও পাকিস্তানে মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে কাশ্মীর সমস্যার (Kashmir Issue)সমাধানের পক্ষে মত দেন। ওই মন্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে ভারত বলেছিল, জম্মু ও কাশ্মীর ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়। এ নিয়ে অন্য কোনও দেশের মন্তব্য গ্রহণযোগ্য নয়।
আরও পড়ুন: জামুইয়ের পর ফের নওয়াদা, স্কুলেই ছাত্রী হেনস্থার অভিযোগ, অভিযুক্ত প্রধানশিক্ষক গ্রেপ্তার
কাশ্মীর প্রশ্নে (Kashmir Issue) ভারত বরাবরই তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করে এসেছে। দিল্লির মতে, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা মাধ্যমেই এই বিষয়ে সমাধান হওয়া উচিত। অন্যদিকে কাশ্মীর ইস্যুতে তুরস্কারে অবস্থান এবং পাকিস্তানে সঙ্গে আঙ্কারার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বার বার আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে উঠে এসেছে।
গত বছর অপারেশন সিঁদুরের সময়ও তুরস্কের অবস্থান নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। পাকিস্তানে পাশে দাঁড়িয়েছিল তুরস্ক। পাকিস্তানকে সামরিক সহযোগিতাও করেছিল। ইসলামাবাদকে ড্রোন ও রকেট দিয়েছিল। যা ভারতের উপর নজরদারি এবং হামলায় ঢালাও ব্যবহার করেছিল পাক ফৌজ।
দেখুন: পুজোর আগে চা শ্রমিকদের ২০ শতাংশ বোনাস, জানালেন শুভেন্দু
Leave a Comment