পিছিয়ে যেতে পারে কলকাতা ও হাওড়ার পুরভোট। নভেম্বরের প্রস্তাবিত পুরভোট পিছিয়ে হতে পারে ২০ ডিসেম্বর। মঙ্গলবার কলকাতার ২০৯টি ওয়ার্ডের খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পর এরকম হতে পারে বলে জানিয়েছেন নির্বাচনী আধিকারিকেরা। ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাসের জেরে ভোটার লিস্ট সংশোধন ও ১০০টি বুথে ভোট গ্রহণ কেন্দ্র স্থানান্তরের বিষয়গুলি চূড়ান্ত না হওয়ার জন্যই ভোট পিছিয়ে যেতে পারে বলে জানা গিয়েছে।
ডিসেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে কলকাতার সঙ্গে হাওড়া, হলদিয়া, বালি, কালিম্পং, কার্শিয়াং, ধূপগুড়ি পুরসভায় ভোট হতে পারে। মঙ্গলবার আলিপুরের ট্রেজারি বিল্ডিংয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তরফে খসড়া ভোটার তালিকা ও পুনর্বিন্যাস হওয়া ১০০টি ভোটগ্রহণ কেন্দ্র নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠক করেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার অতিরিক্ত জেলাশাসক (জেনারেল)।
সেই বৈঠকে বলা হয়েছে, পুরভোটের আগে ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের পুনর্বিন্যাস নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলির যা বক্তব্য তা আগামী ২ নভেম্বরের মধ্যে আপত্তি জমা দিতে হবে। ৪-৫ তারিখের মধ্যে সেই বিষয় নিয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। বরো পিছু একজন করে ‘এমআরও’ (মিউনিসিপ্যাল রিটার্নিং অফিসার) দেওয়া হচ্ছে। প্রয়োজনে রাজনৈতিক দলের একজন করে প্রতিনিধি ভোটগ্রহণ কেন্দ্র পরিদর্শনে যাবেন।
জানা গিয়েছে, আগামী ১২ নভেম্বর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। তারপরে কলকাতার পুরভোট নিয়ে নির্বাচনী বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হতে পারে। নির্বাচনী বিজ্ঞপ্তি জারি হওয়ার পর ভোটগ্রহণের জন্য কমপক্ষে ২৫টি কার্যদিবসের সময় দিতে হয়। কিন্তু মাঝখানে যেহেতু ছটপুজো ও অন্যান্য ছুটি রয়েছে তাই আগামী ২০ ডিসেম্বর পুরভোট হতে পারে।
রাজ্য নির্বাচন কমিশন এর আগে ২৮ কিংবা ২৯ নভেম্বর দুই পুরভোটের বিষয়ে প্রস্তুতির জন্য নবান্নে সুপারিশ করেছিল। সেই সুপারিশ মেনেই রাজ্য বিজেপি, কংগ্রেস, তৃণমূল ও বামেরা প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করার কাজ শুরু করেছে। তবে শুধুমাত্র পুরভোট নয়, ২০২৬ সালের ১ জুলাই প্রকাশিত ভোটার তালিকাকে ধরে যে ভোট করার কথা ছিল সেটাও চার মাস পিছিয়ে যাচ্ছে।
আরও পড়ুন: শপথের মঞ্চে সৌজন্য, বিধানসভায় শুভেন্দুর ঝাঁঝ! চোরবাগান-এনকাউন্টার প্রসঙ্গে সরব মুখ্যমন্ত্রী
এ বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, এসআইআরের বিশেষ সংশোধনের জেরে ১ নভেম্বর পর্যন্ত ভোটার লিস্টে ওঠা নামের ভিত্তিতে ডিসেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে ভোট হবে।
Leave a Comment