---Advertisement---

কলকাতার বুকে উদ্ধার হল বিপুল পরিমাণ মাদক

By Suman Debnath

July 28, 2026 6:56 PM

কলকাতার বুকে উদ্ধার হল বিপুল পরিমাণ মাদক

---Advertisement---


ফের কলকাতা থেকে উদ্ধার বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ মাদক কোকেন। কড়েয়ায় হানা দিয়ে পুলিশ উদ্ধার করল এই বিদেশি মাদক। পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছে তিন মাদক পাচারকারী। পুলিশের দাবি, শহরের বিভিন্ন জায়গায় রেভ পার্টির জন্য প্রচুর বিদেশি মাদক পাচার হচ্ছে। তার মধ্যে কোকেনের চাহিদাই সবচেয়ে বেশি।

পুলিশ জানিয়েছে, সূত্র মারফত খবর আসে যে কড়েয়ার আহিরিপুকুর রোডে বিদেশি মাদক পাচারকারীদের একটি ডেরা গড়ে উঠেছে। সেই ডেরায় কড়েয়া থানার পুলিশ হানা দিয়ে ১০৪ গ্রাম কোকেন উদ্ধার করে। উদ্ধার হওয়া কোকেনের বাজারমূল্য ১০ লক্ষ টাকারও বেশি। ঘটনাস্থল থেকেই পুলিশের হাতে ধরা পড়ে আজাহারউদ্দিন খান, মহম্মদ আসফাক এবং লতাফত খান নামে তিন মাদক পাচারকারী। তদন্তে পুলিশ জেনেছে, এই মাদক পাচারের নেপথ্যেও একটি সংঘবদ্ধ চক্র সক্রিয় রয়েছে। তারাই ডার্ক ওয়েবের মাধ্যমে বিদেশি মাদক পাচারকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে। কখনও কুরিয়ারে অন্য সামগ্রীর মধ্যে লুকিয়ে, আবার কখনও বাহকের হাত ধরে কলকাতায় পৌঁছে যায় এই মাদক।

আরও পড়ুন:  শিবির বদলেই বিস্ফোরক মদন মিত্র! ‘অভিষেকের জন্যই দল ছাড়লাম, ও ইডির থেকে বেশি ভয়ংকর’

ধৃতদের দায়িত্ব ছিল মূলত এই বিদেশি মাদক ছোট ছোট প্যাকেটে ভাগ করে রেভ পার্টিতে সরবরাহ করা। তাদের কাছ থেকে সরাসরি মাদকাসক্তরা, অথবা এজেন্টদের মাধ্যমে অন্যান্য ক্রেতারাও কোকেন কিনে নিত। মাত্র কয়েক গ্রাম সাদা পাউডার কোকেনের জন্যই মোটা টাকা খরচ করা হয়। ধৃতদের জেরা করে সেই এজেন্ট এবং মাদকাসক্তদের খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ। একই সঙ্গে কীভাবে এই মাদক কলকাতায় পৌঁছল এবং কেন বিমানবন্দরের স্ক্যানারে তা ধরা পড়ল না, সেই বিষয়গুলিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এদিকে, সোমবার কলকাতা পুলিশ-সহ ২০টি তদন্তকারী সংস্থার প্রতিনিধিদের নিয়ে মাদক পাচার দমন সংক্রান্ত একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। লালবাজারে আয়োজিত ওই বৈঠকে কলকাতা পুলিশের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ কমিশনার-সহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন পুলিশকর্তা ও আধিকারিকরা। প্রতি মাসেই এই মাদক দমন সংক্রান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বৈঠকে নারকোটিক কন্ট্রোল ব্যুরো (এনসিবি), শুল্ক দপ্তর, আবগারি দপ্তর, ডিআরআই-সহ স্বাস্থ্য দপ্তর এবং আরও বেশ কয়েকটি তদন্তকারী সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। গত এক মাসে কোন সংস্থা কত পরিমাণ মাদক উদ্ধার করেছে, কতজনকে গ্রেপ্তার করেছে, সেই বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। পাশাপাশি মাদক পাচার এবং পাচারকারীদের সম্পর্কে বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে তথ্যের আদান-প্রদান করা হয়। লালবাজারের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে একাধিক স্লাইড উপস্থাপন করা হয়।

আরও পড়ুন:  ২৯ জুলাই নয়, ২ অক্টোবর বক্সার জঙ্গলে ছাড়া হবে বাঘিনী

 

---Advertisement---

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment