আজ মহালয়া। পিতৃপক্ষের অবসান ঘটিয়ে সূচনা হলো দেবীপক্ষের। মহালয়ার ভোরে চণ্ডীপাঠ, মহিষাসুরমর্দিনী স্তোত্র এবং বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠে ‘মহিষাসুরমর্দিনী’ শোনার মধ্য দিয়ে মা দুর্গার আগমনকে স্বাগত জানান অসংখ্য বাঙালি।
মহালয়া মানেই শারদীয় দুর্গোৎসবের আগমনী বার্তা। এই দিন থেকেই বাঙালির মনে শুরু হয় দুর্গাপুজোর আনন্দ, উৎসাহ ও প্রস্তুতি। বিভিন্ন পুজো কমিটি প্রতিমা, মণ্ডপসজ্জা ও আলোকসজ্জার কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। নতুন পোশাক কেনা থেকে শুরু করে পুজোর পরিকল্পনা—সব মিলিয়ে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে।
ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, মহালয়ার মধ্য দিয়ে দেবীপক্ষের সূচনা হয়। মা দুর্গার মর্ত্যে আগমনের অপেক্ষায় দিন গুনতে শুরু করেন ভক্তরা। অশুভ শক্তির বিনাশ ও শুভ শক্তির জয়ের প্রতীক দেবী দুর্গার আরাধনাকে ঘিরে বাঙালির আবেগ ও ঐতিহ্যের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে এই বিশেষ দিনটি।
মহালয়ার এই পুণ্যলগ্নে সবার প্রত্যাশা, মা দুর্গার আশীর্বাদে সমাজ থেকে দূর হোক অশুভ শক্তি, প্রতিষ্ঠিত হোক শান্তি, সম্প্রীতি ও সমৃদ্ধি। আগমনী সুরে মুখরিত হয়ে উঠুক বাংলার আকাশ-বাতাস।
Leave a Comment