---Advertisement---

মানসিক অবসাদ নিয়ে সতর্ক হবেন যখন

By Suman Debnath

July 31, 2026 10:50 AM

মানসিক অবসাদ নিয়ে সতর্ক হবেন যখন

---Advertisement---


ডিপ্রেশন বা মানসিক অবসাদ একটি বাস্তব মানসিক স্বাস্থ্যজনিত অসুখ। যেমন শরীর অসুস্থ হতে পারে, তেমনই মনও অসুস্থ হতে পারে- আর সেটিকে গুরুত্ব দেওয়া খুবই প্রয়োজন।


আমাদের সমাজে এখনো মানসিক অবসাদকে অনেক সময় হালকাভাবে দেখা হয়। ‘সময় গেলে ঠিক হয়ে যাবে’ ভেবে অবহেলা করা হয়। কিন্তু শুরুতেই লক্ষণগুলো বুঝে ব্যবস্থা না নিলে সমস্যা ধীরে ধীরে জটিল হয়ে উঠতে পারে।


মানসিক অবসাদের পেছনে নানা কারণ থাকতে পারে। যেমন, দীর্ঘদিনের চাপ, সম্পর্কের সমস্যা, ব্যর্থতা, একাকিত্ব বা হরমোনজনিত পরিবর্তনও এর জন্য দায়ী হতে পারে। অনেক সময় আমাদের দৈনন্দিন আচরণেই এর ইঙ্গিত লুকিয়ে থাকে।


কাজে অনীহা ও আগ্রহ হারানো


দৈনন্দিন কাজ, পড়াশোনা, অফিস বা ঘরের দায়িত্ব- কিছুই করতে ইচ্ছে না করা, বারবার কাজ ফেলে রাখা বা সবকিছু থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেওয়া ডিপ্রেশনের লক্ষণ হতে পারে।

আরও পড়ুন:  পেটের চর্বি কমাতে হাঁটবেন নাকি দৌড়াবেন ?


অল্পতেই রাগ বা বিরক্তি


মানসিক অবসাদে ভুগলে মানুষ অনেক সময় অকারণে রেগে যান। সামান্য বিষয়েও মেজাজ হারিয়ে ফেলা, চিৎকার করা বা অস্বাভাবিক বিরক্তি প্রকাশ করা এর লক্ষণ হতে পারে।


সব সময় মন খারাপ লাগা


ডিপ্রেশনের সবচেয়ে সাধারণ লক্ষণ হলো দীর্ঘদিন ধরে মন খারাপ থাকা। আগে যেসব কাজ বা বিষয় ভালো লাগতো, সেগুলোতেও আর আগ্রহ থাকে না। সারাক্ষণ এক ধরনের শূন্যতা বা দুঃখবোধ কাজ করে।


সব সময় ক্লান্ত লাগা


কোনো কাজ না করেও সারাক্ষণ ক্লান্ত লাগা, শরীর ভারী মনে হওয়া বা কাজ করার শক্তি না পাওয়া মানসিক অবসাদের বড় লক্ষণ। এটি শুধু শারীরিক ক্লান্তি নয়, মানসিক অবসাদ থেকেও এমন হতে পারে।


খাওয়ার অভ্যাসে পরিবর্তন


আরও পড়ুন:  International Friendship Day 2026: কবে, কেন ও কীভাবে শুরু? ইতিহাস, গুরুত্ব, শুভেচ্ছা ও উদযাপনের সম্পূর্ণ গাইড

হঠাৎ করে খাওয়ার ইচ্ছে একেবারে কমে যাওয়া বা উল্টোভাবে অস্বাভাবিক বেশি খাওয়া- দুই-ই মানসিক অবসাদের সঙ্গে জড়িত হতে পারে।


অতিরিক্ত আবেগপ্রবণ হয়ে পড়া


খুব ছোট ঘটনায় অতিরিক্ত কষ্ট পাওয়া, হতাশ হয়ে পড়া বা আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পারাও ডিপ্রেশনের ইঙ্গিত হতে পারে। নিজেকে খুব অসহায় বা অমূল্য মনে হওয়াও এর অংশ।


কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন


যদি এই লক্ষণগুলো দুই সপ্তাহ বা তার বেশি সময় ধরে চলতে থাকে এবং আপনার স্বাভাবিক জীবনযাত্রা, কাজ বা সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলতে শুরু করে, তাহলে দেরি না করে মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলা জরুরি। মানসিক অবসাদ লুকিয়ে রাখার বিষয় নয়। কাউন্সেলিং, জীবনযাত্রায় পরিবর্তন এবং প্রয়োজন হলে ওষুধের মাধ্যমে ডিপ্রেশন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।


আমার বাঙলা/ হুমায়রা

---Advertisement---

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment