কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা মূলত ছাত্র আন্দোলনেরই জয়। এমনটাই জানিয়েছে কংগ্রেস। শনিবার দুপুরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভার বৈঠকের আগে শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। ইতিমধ্যেই তাঁর ইস্তফাপত্র সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। সেই ইস্তফাপত্রের পরেই তা নিয়ে মুখ খুললেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে।
এক্স হ্যান্ডলে মল্লিকার্জুন খাড়্গে লিখেছেন, ‘ভারতের ছাত্রদের গর্জন অবশেষে অহংকারী ক্ষমতার দোরগোড়ায় পৌঁছে গিয়েছে।’ খাড়্গের দাবি, এই ইস্তফা দেশের কোটি কোটি যুবকের জয়ের প্রতীক। তাঁর কথায়, ‘দেশ জুড়ে শিক্ষাব্যবস্থার উন্নতির দাবিতে যাঁরা রাস্তায় নেমে আন্দোলন করেছিলেন, তাঁদেরই জয় হয়েছে। এটি সত্যের জয় এবং মোদীজির জেদের পরাজয়।’
তবে এখানেই থামেননি কংগ্রেস সভাপতি। তাঁর দাবি, দেশের যুবসমাজের কাছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ক্ষমা চাওয়া উচিত। এর পাশাপাশি আন্দোলনের সময় ছাত্রদের উপরে লাঠিচার্জের অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তিনি।
भारत के ‘छात्रों की गूँज’ आख़िरकार अंहकारी सत्ता की दहलीज़ तक पहुँच गई।
ये हमारे करोड़ों युवाओं की जीत है जिन्होंने देशभर में शिक्षा व्यवस्था को दुरुस्त करने के लिए सड़क पर आवाज़ उठाई।
ये सत्य की जीत है और मोदी जी के हठ की हार है।
ये उन सभी परिवारों की जीत हैं जिन्होंने…
— Mallikarjun Kharge (@kharge) July 25, 2026
ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফাকে স্বাগত জানিয়েছে আম আদমি পার্টিও। দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা আপের জাতীয় আহ্বায়ক অরবিন্দ কেজরীওয়াল এক্সে লিখেছেন, ‘এই সিদ্ধান্তের জন্য দেশের তরুণ প্রজন্মই প্রকৃত কৃতিত্বের দাবিদার।’ তাঁর দাবি, ‘সরকারের প্রতি মানুষের আস্থা ক্রমশ কমছিল। এই ঘটনার মাধ্যমে কেন্দ্রের উপলব্ধি করা উচিত যে, গণতন্ত্রে জনতার কণ্ঠস্বরকে উপেক্ষা করে চলা যায় না। শেষ পর্যন্ত মানুষের দাবিতে সাড়া দিতেই হয়।’
আরও পড়ুন: ককরোচদের জয়, আন্দোলনের চাপে অবশেষে ইস্তফা দিলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান
উল্লেখ্য, বিগত কয়েকদিন ধরে নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে উত্তাল হয়েছিল গোটা দেশ। আন্দোলনকারীদের দাবি ছিল, শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে। আর এই আন্দোলনে প্রথম থেকেই নেতৃত্ব দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি। পাশাপাশি ছিল বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলিও। এরপরেই আজ শনিবার দুপুরে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে তিনি সরে দাঁড়ালেন। এক্স হ্যান্ডলে ধর্মেন্দ্র প্রধান লিখেছেন, ‘গত ১০ দিনের ঘটনায় আমার হৃদয় ভারাক্রান্ত।’ যদিও জানা গিয়েছে, ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করলেও তাঁর পদত্যাগপত্র এখনও পর্যন্ত গ্রহণ করা হয়নি।
Leave a Comment