---Advertisement---

ডিএ মামলায় বড় ধাক্কা! আটকে গেল সুপ্রিম শুনানি, বসছে না বিশেষ বেঞ্চ, অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ

By Suman Debnath

July 23, 2026 1:50 PM

ডিএ মামলায় বড় ধাক্কা! আটকে গেল সুপ্রিম শুনানি, বসছে না বিশেষ বেঞ্চ, অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ

---Advertisement---


পিছিয়ে গেল ডিএ মামলার সুপ্রিম শুনানি। বিচারপতি সঞ্জয় কারোল ও প্রশান্তকুমার মিশ্রের বিশেষ বেঞ্চ বসছে না বৃহস্পতিবার। পরবর্তী শুনানির দিন স্পষ্ট নয়।

নয়াদিল্লি: লক্ষ লক্ষ রাজ্য সরকারি কর্মচারীর বকেয়া মহার্ঘ ভাতার (DA) ভাগ্য নির্ধারণের দিনটা ফের অনিশ্চিত হয়ে গেল। গত মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) রাজ্য সরকার যে স্টেটাস রিপোর্ট জমা দিয়েছিল, যেখানে ১০০ শতাংশের বদলে ৮৫ শতাংশ ডিএ মিটিয়ে বাকি ১৫ শতাংশে ছাড় চাওয়া হয়েছিল, সেই মামলার জরুরি শুনানি পিছিয়ে গেল। বিচারপতি সঞ্জয় কারোল (Justice Sanjay Karol) ও বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্রের (Justice Prashant Kumar Mishra) বিশেষ বেঞ্চ বৃহস্পতিবার বসবে না বলে বুধবার রাতে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে শীর্ষ আদালত। সাড়ে সাত লক্ষের বেশি কর্মী-অবসরপ্রাপ্ত যাঁরা বকেয়া টাকার অপেক্ষায় দিন গুনছেন, তাঁদের জন্য এটা বড় ধাক্কা।

শীর্ষ আদালতের তরফে জানানো হয়েছে, ৭ নম্বর আদালতে বৃহস্পতিবার বেলা ২টোয় বিচারপতি সঞ্জয় কারোল ও বিচারপতি অগস্টিন জর্জ মসিহ-র (Justice Augustine George Masih) নিয়মিত বেঞ্চ বসবে। কিন্তু যে বিশেষ বেঞ্চে ডিএ মামলার শুনানি হওয়ার কথা ছিল, সেটা বসছে না। পরবর্তী শুনানি কবে হবে, সে বিষয়ে এখনও কোনও দিনক্ষণ জানানো হয়নি। এই অনিশ্চয়তায় কার্যত দিশেহারা রাজ্যের লক্ষ লক্ষ সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগী।

আরও পড়ুন:  বিশ্বজুড়ে ফেসবুক বিভ্রাট , সমস্যায় ভারতও

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টে যে স্টেটাস রিপোর্ট জমা দিয়েছে, তাতে বলা হয়েছে— ১০০ শতাংশ হারে হিসেব করলে মোট বকেয়ার পরিমাণ প্রায় ১১,৯৮৩ কোটি টাকা। ইতিমধ্যেই ২০২৬ সালের ১৪ জুলাই পর্যন্ত ৭,৭৭১ কোটি টাকা মিটিয়েছে সরকার। বাকি টাকা ২০২৭ সালের জানুয়ারি, জুলাই এবং শেষ কিস্তি হিসেবে ২০২৮ সালের জানুয়ারিতে মেটানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, সম্পূর্ণ বকেয়া মেটাতে গেলে রাজ্যের আর্থিক ঘাটতি ৫ শতাংশ ছাড়িয়ে যাবে বলে এফআরবিএম (FRBM) আইনের বাধ্যবাধকতার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে রিপোর্টে। জিএসটি (GST) বাবদ রাজস্ব আয় কমে যাওয়া ও বিপুল কল্যাণমূলক প্রকল্পের কারণে রাজকোষের ওপর চাপের কথাও বলা হয়েছে।

মৃত কর্মীদের আইনি উত্তরাধিকারীদের বকেয়া পৌঁছে দিতে একটি বিশেষ নির্দেশিকা ও হেল্পলাইন চালু করেছে রাজ্য। ২০০৮ থেকে ২০১৫ সালের বেতন সংক্রান্ত তথ্য ডিজিটাইজ করার জন্য ই-সার্ভিস বুক পোর্টালের কাজও চলছে দ্রুতগতিতে। কিন্তু আইনি প্রক্রিয়ায় এই অপ্রত্যাশিত বিলম্ব আপাতত সব হিসাব-নিকাশ থমকে দিল। এখন দেখার, সুপ্রিম কোর্ট পরবর্তী শুনানি কবে রাখে, আর ততদিন পর্যন্ত আন্দোলনরত কর্মচারীদের ধৈর্যের বাঁধ কতটা অটুট থাকে।

আরও পড়ুন:  ‘সন্ত্রাসবাদ পুরোপুরি বন্ধ করুন, না হলে পাবেন না জল’, সিন্ধু জল চুক্তি নিয়ে স্পষ্ট বার্তা ভারতের

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে



Google News







এবং Google Discover



Google Discover



-এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

---Advertisement---

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment