---Advertisement---

ম্যাগির পর ফের নেসলে নিশানায়! বেবিফুডে মিলল গরমিল, নোটিস এফএসএসএআইয়ের

By Suman Debnath

September 18, 2026 7:25 PM

ম্যাগির পর ফের নেসলে নিশানায়! বেবিফুডে মিলল গরমিল, নোটিস এফএসএসএআইয়ের

---Advertisement---


ম্যাগিতে সিসা থাকার অভিযোগকে ঘিরে একসময় দেশজুড়ে তোলপাড় হয়েছিল। আঙুল উঠেছিল নেসলের দিকে। সেই বিতর্ক কাটিয়ে ফের স্বাভাবিক ছন্দে ফিরেছিল সংস্থা। কিন্তু এবার আবারও প্রশ্নের মুখে নেসলে। অভিযোগ, সংস্থার তৈরি একাধিক শিশুখাদ্যের প্যাকেটে উল্লেখ করা উপাদানের পরিমাণের সঙ্গে পরীক্ষায় পাওয়া মাত্রার মিল নেই। শুধু তাই নয়, পণ্যের গুণমান নিয়ে বিজ্ঞাপনে যে দাবি করা হয়েছে, পরীক্ষায় তারও প্রতিফলন মেলেনি। এই অভিযোগেই নেসলেকে নোটিস পাঠিয়েছে খাদ্য সুরক্ষা ও মান নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ।

নিয়ন্ত্রক সংস্থার পরীক্ষায় মূলত তিনটি পণ্য নিয়ে আপত্তি উঠেছে—ইনফ্যান্ট নিউট্রিশন, ন্যান এক্সসেলা এবং ল্যাক্টোজেন। তিনটি পণ্যের নমুনায় বায়োটিনের মাত্রা পরীক্ষা করা হয়। প্যাকেটে যে পরিমাণ বায়োটিন থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছিল, পরীক্ষায় তার তুলনায় কম মাত্রা পাওয়া যায়। বিষয়টি নিশ্চিত করতে নমুনাগুলি দ্বিতীয় বারও পরীক্ষা করা হয়। সেখানেও প্রায় একই ফল পাওয়া গিয়েছে বলে অভিযোগ।

শুধু উপাদানের পরিমাণেই নয়, ল্যাক্টোজেন প্রো ১-এর প্যাকেটে থাকা একটি দাবিও নিয়ন্ত্রক সংস্থার নজরে এসেছে। ওই প্যাকেটে ব্যবহৃত হুই প্রোটিনকে সহজপাচ্য বলে উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু পরীক্ষার ফল সেই দাবিকে সমর্থন করছে না বলে জানিয়েছে খাদ্য সুরক্ষা কর্তৃপক্ষ।

শিশুখাদ্যের ক্ষেত্রে সাধারণ খাদ্যপণ্যের তুলনায় নিয়মকানুন অনেক বেশি কড়া। কারণ, এই ধরনের পণ্য সরাসরি শিশুদের খাদ্যতালিকার অংশ। ফলে প্যাকেটে উপাদান, পুষ্টিগুণ কিংবা পণ্যের অন্য কোনও বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে যে তথ্য দেওয়া হচ্ছে, তা নির্ধারিত মানদণ্ড মেনে চলা বাধ্যতামূলক।

যদিও আপাতত নেসলের ওই পণ্যগুলির বিক্রি বন্ধ করার কোনও নির্দেশ দেওয়া হয়নি। নোটিসের জবাবে সংস্থার দাবি, খাদ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত সমস্ত নিয়ম মেনেই তারা পণ্য তৈরি করে। ভবিষ্যতেও যাবতীয় বিধি মেনে চলার আশ্বাস দিয়েছে নেসলে।

খাদ্যপণ্যের মান ও প্যাকেটে করা দাবির ক্ষেত্রে সম্প্রতি একাধিক সংস্থার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। গত মাসে ডাবরের মধু, আপেল সিডার ভিনিগার, ভার্জিন নারকেল তেল, তিলের তেল, ঘি, নারকেল জল এবং নারকেলের দুধের বিক্রি বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

২০১৮ সালের বিজ্ঞাপন ও দাবি সংক্রান্ত নিয়ম অনুযায়ী, মিশ্র খাদ্যপণ্যের ক্ষেত্রে কোনও পণ্যকে ‘১০০ শতাংশ বিশুদ্ধ’ বলে প্রচার করা যায় না। ডাবরের একাধিক পণ্যে এমন দাবি করা হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে। সেই কারণেই সংস্থাটির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হয়েছিল।

---Advertisement---

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment