---Advertisement---

হুথিদের লক্ষ্য করে ইয়েমেনে হামলা

By Suman Debnath

August 9, 2026 9:55 AM

হুথিদের লক্ষ্য করে ইয়েমেনে হামলা

---Advertisement---


ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুথিদের বিভিন্ন অবস্থান লক্ষ্য করে দফায় দফায় হামলা চালিয়েছে দেশটির সরকারি বাহিনী। মারিব শহরে হুথিদের পুনরায় হামলা শুরুর পরপরই পাল্টা সামরিক অভিযান শুরু করে সরকারি বাহিনী। এতে দীর্ঘদিনের উত্তেজনার মধ্যে দুই পক্ষের মধ্যে আবারও পূর্ণাঙ্গ সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।


শনিবার (৮ আগস্ট) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।


সরকারের এক সামরিক মুখপাত্র বলেন, শনিবারের হামলাগুলো ‘একাধিক অক্ষ এবং সংঘর্ষের রেখা বরাবর’ হুথিদের ‘সামরিক সক্ষমতা ও সেনাদের লক্ষ্য করে’ চালানো হয়েছে। তিনি এই অভিযানকে নিরস্ত্র বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় বলে উল্লেখ করেছেন।


এর আগে বৃহস্পতিবার হাজরামাউত ও মারিব প্রদেশে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় অন্তত ৩০ জন সরকারি সৈন্য নিহত হন। এ সময় আরও অন্তত ১৫ জন আহত হন। এ হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে এই সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:  রাজধানীতে সবজির দাম বৃদ্ধি, কাঁচা মরিচ কেজি প্রায় ৪০০ টাকা


শনিবার ইয়েমেনের উপ-তথ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ গেজান বলেন, হুথিরা মারিব শহরের বেসামরিক এলাকাগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে পুনরায় গোলাবর্ষণ শুরু করেছে।


ইয়েমেনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শুক্রবারের এক হামলায় দুই বেসামরিক নাগরিক নিহত ও আরও ১৪ জন আহত হওয়ার পর মারিব শহরে নতুন করে গোলাবর্ষণ শুরু হয়েছে। ইয়েমেনের প্রায় ৫০ লাখ বাস্তুচ্যুত মানুষের মধ্যে ২০ লাখেরও বেশি মানুষ এই শহরেই আশ্রয় নিয়েছে।


হুথিরা বলেছে, তারা শহরের উপকণ্ঠে একটি সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। অন্যদিকে ইয়েমেনি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, শুক্রবার সন্ধ্যায় তারা একটি হামলা প্রতিহত করেছে। এতে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।


পূর্ণাঙ্গ সংঘাত ফেরার আশঙ্কা


সানা থেকে আল জাজিরার ইউসুফ মাউরি বলেন, কয়েক মাসের মধ্যে এই প্রথম সরকারি বাহিনী একটি পাল্টা আক্রমণের ঘোষণা দিয়েছে। মারিব ও হাজরামাউতে সেনাবাহিনীর অবস্থানগুলোতে হুথিদের আগাম হামলার কৌশলের জবাব হিসেবে এই আক্রমণ চালানো হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:  টিসিবির পণ্য নিতে এসে দেয়াল ধসে নিহত ১


তিনি বলেন, হুথিরা দাবি করছে, সরকারি বাহিনী হুথি-নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলের বিরুদ্ধে একটি বৃহত্তর অভিযানের জন্য সৌদি আরবের সঙ্গে সমন্বয় করছে। এমন সন্দেহের ভিত্তিতেই তারা হামলা চালিয়েছে।


মধ্যপ্রাচ্য বিশেষজ্ঞ এবং কেমব্রিজের গার্টন কলেজের প্রেসিডেন্ট এলিজাবেথ কেন্ডাল বলেন, এই উত্তেজনা বৃদ্ধির ফলে ইয়েমেন পুনরায় পূর্ণাঙ্গ সংঘাতে জড়িয়ে পড়ার ‘আসন্ন সম্ভাবনা’ তৈরি হয়েছে।


তিনি বলেন, ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধ আনুষ্ঠানিকভাবে কখনোই শেষ হয়নি। ২০২২ সালের যুদ্ধবিরতির মেয়াদও শেষ হয়ে গেছে।


প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাতিসংঘ উত্তেজনা প্রশমনের আহ্বান জানিয়েছে। সংস্থাটি হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা এবং লোহিত সাগরে তেলবাহী ট্যাংকারের ওপর গোষ্ঠীটির অব্যাহত হামলার নিন্দা জানিয়েছে।


আমার বাঙলা/ রাব্বি

---Advertisement---

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment