---Advertisement---

গবাদিপশু থেকে মানুষে ছড়াচ্ছে অ্যানথ্রাক্স

By Suman Debnath

September 25, 2026 7:05 PM

গবাদিপশু থেকে মানুষে ছড়াচ্ছে অ্যানথ্রাক্স

---Advertisement---


দেশের কয়েকটি অঞ্চলে আবারও দেখা দিয়েছে অ্যানথ্রাক্স। গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ, মেহেরপুরের গাংনী, রংপুরের পীরগাছা ও দিনাজপুরের পার্বতীপুরে আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে। এর আগে কুষ্টিয়ার দৌলতপুরেও অ্যানথ্রাক্সের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। দুই মাসে পাঁচ জেলায় শতাধিক মানুষ এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।


অ্যানথ্রাক্স আসলে কী? কীভাবে মানুষ এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছে? চলুন জানার চেষ্টা করি।


অ্যানথ্রাক্স একটি প্রাণীবাহিত বা জুনোটিক রোগ। মাটিতে অ্যানথ্রাক্সের জীবাণু থাকতে পারে। ঘাস বা ঘাসজাতীয় খাবার খাওয়ার সময় গরু-মহিষের মতো তৃণভোজী প্রাণী এ রোগে আক্রান্ত হতে পারে। পরে আক্রান্ত গবাদিপশু থেকে মানুষেও অ্যানথ্রাক্স ছড়াতে পারে।


অ্যানথ্রাক্স বা তড়কা হলো ব্যাসিলাস অ্যানথ্রাসিস নামের স্পোর বা রেণু উৎপাদনকারী ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে সৃষ্ট একটি গুরুতর রোগ। মূলত গবাদিপশু ও বন্য প্রাণীর রোগ হলেও আক্রান্ত প্রাণী থেকে এটি মানুষের শরীরেও ছড়াতে পারে।


অসুস্থ বা হঠাৎ মারা যাওয়া পশুর চামড়া, পশম কিংবা মাংস স্পর্শ করলে ত্বকের মাধ্যমে সংক্রমণ হতে পারে। আবার আক্রান্ত পশুর মাংস ভালোভাবে রান্না না করে খেলে কিংবা ব্যাকটেরিয়ার স্পোর শ্বাসের সঙ্গে শরীরে প্রবেশ করলেও অ্যানথ্রাক্স হতে পারে। তবে সাধারণত মানুষ থেকে মানুষে সরাসরি এ রোগ ছড়ায় না।


ত্বকের অ্যানথ্রাক্সে প্রথমে পোকার কামড়ের মতো ফোলা ক্ষত দেখা দিতে পারে। পরে ক্ষতটির মাঝখানে কালো অংশ তৈরি হতে পারে। আর শ্বাসতন্ত্রে সংক্রমণ হলে জ্বর, বুকব্যথা ও তীব্র শ্বাসকষ্ট দেখা দিতে পারে।


তাই হঠাৎ মারা যাওয়া বা অসুস্থ পশুর মাংস ও চামড়া ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে। এমন পশু খালি হাতে স্পর্শ না করে দ্রুত স্থানীয় প্রাণিসম্পদ বা স্বাস্থ্য বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। আর জ্বর, অস্বাভাবিক ক্ষত বা শ্বাসকষ্টের মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

---Advertisement---

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment