---Advertisement---

গুজরাতে ফের চাঁদীপুরা ভাইরাসের দাপট, ৩ শিশুর মৃত্যুর আশঙ্কা

By Suman Debnath

July 11, 2026 3:40 PM

গুজরাতে ফের চাঁদীপুরা ভাইরাসের দাপট, ৩ শিশুর মৃত্যুর আশঙ্কা

---Advertisement---





গুজরাতে ফের উদ্বেগ বাড়াচ্ছে চাঁদীপুরা ভাইরাস। গত কয়েকদিনে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। একাধিক আক্রান্তের নমুনা পরীক্ষা করে সংক্রমণের উৎস খতিয়ে দেখছেন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্তারা। বছর দুয়েক আগেও গুজরাত ও মহারাষ্ট্রে এই ভাইরাসের প্রকোপ দেখা গিয়েছিল।

এই ভাইরাসের কারণে শিশুদের মধ্যে ‘অ্যাকিউট এনসেফেলাইটিস সিনড্রোম’ দেখা দিচ্ছে। এই রোগে মাথা ঘোরা, বমি ভাব হয়। রোগী বারবার জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। প্রবল খিঁচুনি এবং সেইসঙ্গে অঙ্গপ্রত্যঙ্গ অসাড় হয়ে যায়। মাত্র ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে রোগটি প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে।

আরও পড়ুন:  ‘কুকুরও কথা শোনে না’, ফড়ণবীসের মন্তব্যে মহারাষ্ট্রে তুমুল রাজনৈতিক ঝড়

১৯৬৫ সালে মহারাষ্ট্রের চাঁদীপুরা গ্রামে প্রথম এই ভাইরাসের খোঁজ পাওয়া যায়। এটি র‌্যাবডোভিরিডি পরিবারের ভাইরাস, যা কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রে আক্রমণ করে, এবং সেই কারণেই শিশুদের মধ্যে ‘অ্যাকিউট এনসেফেলাইটিস সিনড্রোম’ বা মস্তিষ্কে তীব্র প্রদাহ । সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকে ১০ থেকে বছরের কম বয়সের শিশুরা।

এই ভাইরাস হাঁচি বা কাশি থেকে ছড়ায় না। মূলত স্যান্ডফ্লাই বা বালিমাছির কামড়ের মাধ্যমে এই রোগ ছড়ায়। আক্রান্তের মল-মূত্র থেকেও মাছির মাধ্যমে সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা থাকে। এখনও পর্যন্ত এই ভাইরাসের কোনও নির্দিষ্ট ওষুধ বা টিকা নেই। তাই রোগীর উপসর্গ অনুযায়ী চিকিৎসা করা হয়।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, বর্ষাকালে শিশুদের হাত-পা ঢাকা পোশাক পরানো জরুরি। মশারি ব্যবহার, বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার রাখা এবং খোলা খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। জ্বরের সঙ্গে বমি, খিঁচুনি বা আচরণে অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা দিলেই দেরি না করে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে।

আরও পড়ুন:  'ই ২০' পেট্রলে একটি গাড়িও নষ্ট হলে জানান, সমালোচকদের চ্যালেঞ্জ নীতিন গড়করির

---Advertisement---

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment