---Advertisement---

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ ‘ইন্ডিয়া’ মঞ্চের

By Suman Debnath

October 9, 2026 3:15 PM

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ ‘ইন্ডিয়া’ মঞ্চের

---Advertisement---


মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি কয়েকদিন ধরে উত্তপ্ত রাজধানী দিল্লির রাজপথ। এবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের ইস্তফার দাবিতে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর দ্বারস্থ হচ্ছে বিরোধী মঞ্চ ‘ইন্ডিয়া’। শুক্রবার অর্থাৎ আজ সন্ধ্যা ৮টার সময় রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার সময় নির্ধারিত হয়েছে বলে খবর। ১০ জনের প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতি ভবনে গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করবে বলে জানা গিয়েছে।

দশজনের এই প্রতিনিধিদলে থাকবেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী, কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং কংগ্রেসের সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে। সেই সঙ্গে থাকবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এসআইআর এবং ‘ভোটচুরি’ নিয়ে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার জন্য সময় চেয়েছিল বিরোধী শিবির। তবে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে কোনও বার্তা না আসায় সাক্ষাৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত সন্ধ্যা ৮টায় সময় দেওয়া হয়েছে বলে জোট সূত্রে দাবি করা হয়েছে।

দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে গত ২৩ সেপ্টেম্বর একটি অন্তর্তদন্তমূলক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। তারপর থেকেই জাতীয় রাজনীতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী দুই নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক জোশীকে অন্ধকারে রেখেই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার।

ভোটার তালিকার স্বচ্ছতা, ৬ নম্বর ফর্মের পরিবর্তন এবং এসআইআর-এর পরে ভোটার তালিকায় নাম বাদ দেওয়া এবং নতুন নাম তোলার মতো একাধিক বিষয় নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন ওই দুই নির্বাচন কমিশনার। গত ১০ মাসে কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছিলেন সান্ধু ও জোশী, প্রতিবেদনে এমনটাই দাবি করা হয়েছিল।

এই প্রতিবেদন প্রকাশের পর নির্বাচন কমিশন বিবৃতি দিয়ে জানায়, কমিশনারদের মধ্যে মতপার্থক্য থাকলেও ঐক্যমতের ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তবে কমিশনের এই ব্যাখ্যায় চিড়ে ভেজেনি। বরং জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে সরব হয়েছে বিরোধী দলগুলি।

গত ৩০ সেপ্টম্বর দিল্লিতে ‘ইন্ডিয়া’-র বৈঠকে জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়। তারপর মঙ্গলবার নির্বাচন সদন অভিযানে নামেন বিরোধী সাংসদেরা। বুধবার ও বৃহস্পতিবারও দিল্লি জ্ঞানেশ বিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে থাকে।

এই বিষয় রাষ্ট্রপতির কাছেও তুলে ধরা সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় ওই বৈঠকে। বৃহস্পতিবার কংগ্রেস নেতা কে সি বেণুগোপাল জানান, ৭ থেকে ৯ অক্টোবরের মধ্যে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের সময় চেয়ে আবেদন জানিয়েছিলেন তাঁরা। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতেই শুক্রবার সন্ধ্যায় সাক্ষাতের সময় দেওয়া হয়েছে বলে দাবি ‘ইন্ডিয়া’-র।

 

---Advertisement---

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment