---Advertisement---

ফোনের ইএমআই শোধ না করায় লখনউয়ের যুবককে অপহরণ

By Suman Debnath

September 15, 2026 8:55 PM

ফোনের ইএমআই শোধ না করায় লখনউয়ের যুবককে অপহরণ

---Advertisement---


মোবাইল ফোনের কিস্তি দিতে না পারায় এক যুবককে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে জোর করে রক্ত নেওয়ার অভিযোগ উঠল উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ে। অভিযোগ, রক্ত নেওয়ার পর তাঁকে পাঁচ দিন একটি বাড়িতে আটকে রেখে মারধর করা হয় এবং জোর করে নানা কাজ করানো হয়। পরিবারের অভিযোগ, কিস্তির টাকা আদায়ের জন্যই এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

লখনউয়ের নিগোহা এলাকার বাসিন্দা নাভাল প্রায় এক বছর আগে স্থানীয় একটি দোকান থেকে ২১ হাজার ৫০০ টাকা দামের স্যামসাং মোবাইল ফোন কিনেছিলেন। জিরো ডাউন পেমেন্টে ফোনটি কেনায় সেই সময় কোনও টাকা দিতে হয়নি তাঁকে। চুক্তি অনুযায়ী, ১২ মাস ধরে প্রতি মাসে ২,৭৯৯ টাকা করে কিস্তি দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আর্থিক সমস্যার কারণে প্রথম মাসের কিস্তি দিতে পারেননি নাভাল। পরিবারের দাবি, এরপর দোকানের লোকজন এসে তাঁর কাছ থেকে ফোনটি নিয়ে যায়।

অভিযোগ, গত ৮ সেপ্টেম্বর দু’জন ব্যক্তি নাভালের বাড়িতে গিয়ে তাঁকে জোর করে তুলে নিয়ে যান। নাভালের দাবি, তাঁকে প্রথমে একটি ব্লাড ব্যাঙ্কে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁর আপত্তি সত্ত্বেও শরীর থেকে এক ইউনিট রক্ত নেওয়া হয়। এরপর তাঁকে সদর এলাকার একটি বাড়িতে নিয়ে গিয়ে আটকে রাখা হয়। অভিযোগ, সেখানে তাঁকে মারধর করা হত এবং তাঁকে দিয়ে নানা কাজ করানো হত। পরিবারের দাবি, নাভালকে খুন করে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল।

এরপর নাভালের বড় ভাই রাজকুমারের সঙ্গে যোগাযোগ করে কিস্তির ২,৭৯৯ টাকা অনলাইনে পাঠাতে বলা হয় বলে অভিযোগ। পরিবার টাকা দিয়ে নাভালকে ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ করলে আরও ১২ হাজার টাকা দাবি করা হয়। টাকা না দিলে নাভালকে খুন করে গোমতী নদীতে ফেলে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলেও পরিবারের অভিযোগ।

আরও পড়ুন: মোদী-শি বৈঠকের পরই চিনের বার্তা, ‘ভারতকে অংশীদার হিসেবেই চায় বেজিং’

নাভালকে ফিরে পেতে শেষ পর্যন্ত পুলিশের দ্বারস্থ হয় পরিবার। প্রথমে পুলিশও সহযোগিতা করেনি বলে অভিযোগ যুবকের পরিবারের। পরে পরিবারের তরফে এক ঊর্ধ্বতন পুলিশকর্তার কাছে বিষয়টি জানানো হয়। তদন্তে নেমে পুলিশ লখনউয়ের একটি বাড়ি থেকে নাভালকে উদ্ধার করে। প্রায় পাঁচ দিন পর বাড়ি ফেরেন তিনি। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের খোঁজে তল্লাশি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

---Advertisement---

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment