---Advertisement---

মোদী-শি বৈঠকের পরই চিনের বার্তা, ‘ভারতকে অংশীদার হিসেবেই চায় বেজিং’

By Suman Debnath

September 15, 2026 8:00 PM

মোদী-শি বৈঠকের পরই চিনের বার্তা, ‘ভারতকে অংশীদার হিসেবেই চায় বেজিং’

---Advertisement---


ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক আরও মজবুত করতে আগ্রহী চিন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সাম্প্রতিক বৈঠকের পর সেই বার্তাই আরও স্পষ্ট করল বেজিং। ব্রিকস সম্মেলন শেষে শি জিনপিং চিনে ফেরার পর চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই জানালেন, মোদী-শি বৈঠকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঐকমত্য হল-ভারত ও চিনকে পরস্পরের অংশীদার হতে হবে। ওয়াং ই বলেন, ‘ভারত ও চিনের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানো শুধু দু’দেশের জন্য নয়, বৃহত্তর স্বার্থেও গুরুত্বপূর্ণ।’ তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট, আমেরিকা-চিনের টানাপোড়েনের মধ্যে দিল্লির সঙ্গে সম্পর্ককে নতুন করে গুরুত্ব দিচ্ছে বেজিং।

রবিবার শি জিনপিং বেজিং ফেরার পর মোদীর সঙ্গে তাঁর বৈঠক নিয়ে বক্তব্য রাখেন ওয়াং ই। চিনের বিদেশমন্ত্রীর কথায়, দুই রাষ্ট্রনেতা ভারত-চিন সম্পর্কের দীর্ঘমেয়াদি ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেছেন। দুই দেশের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে একে অপরের সহযোগিতা করা এবং যৌথভাবে উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন তিনি।

তবে ভারতও যে সম্পর্ক স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল রাখতে আগ্রহী, মোদীর বক্তব্যে তার ইঙ্গিত মিলেছে। শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দুই দেশকে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সংবেদনশীলতা এবং একে অপরের স্বার্থের প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে। মতপার্থক্য থাকলেও তা যেন কোনওভাবেই বিবাদ বা সংঘাতে না পৌঁছয়।’ একই সঙ্গে মোদী স্পষ্ট করে দেন, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে সীমান্ত পরিস্থিতি শান্ত ও স্থিতিশীল রাখা জরুরি।

গত এক বছর ধরেই ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নত করার বিষয়ে একাধিকবার বার্তা দিয়েছে চিন। বিশেষ করে আমেরিকা-চিনের শুল্ক-সংঘাতের সময় এশিয়ার দুই শক্তিধর দেশের কাছাকাছি আসার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছে বেজিং। ভারত ও চিনের সম্পর্ক বোঝাতে চিনা নেতৃত্ব বিভিন্ন সময়ে ‘হাতি’ ও ‘ড্রাগন’-এর উপমাও ব্যবহার করেছে। এমনকী গত বছর রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে পাঠানো একটি চিঠিতেও চিনের তরফে বলা হয়েছিল, দু’দেশের মানুষের স্বার্থে ‘হাতি’ ও ‘ড্রাগন’-এর একসঙ্গে এগিয়ে চলা প্রয়োজন।

সাম্প্রতিক মোদী-শি বৈঠকের পর ওয়াং ই-র মন্তব্যে সেই বার্তাই আরও একবার সামনে এল।সীমান্তে শান্তি বজায় রেখে ভারত ও চিনের মধ্যে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বেজিং।

---Advertisement---

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment