---Advertisement---

মিড-ডে মিলে ফিরছে ডিম, ১ অগস্ট থেকে ইসকনের পরীক্ষামূলক উদ্যোগও শুরু: জানালেন শুভেন্দু

By Suman Debnath

July 29, 2026 6:40 PM

মিড-ডে মিলে ফিরছে ডিম, ১ অগস্ট থেকে ইসকনের পরীক্ষামূলক উদ্যোগও শুরু: জানালেন শুভেন্দু

---Advertisement---


মিড-ডে মিলে ফের ডিম অন্তর্ভুক্ত করার কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান, স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মাধ্যমে স্কুলপড়ুয়াদের জন্য আলাদা করে ডিম সরবরাহের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে তিনি জানান, আগামী ১ আগস্ট থেকে ইসকনের মাধ্যমে মিড-ডে মিল বিতরণের পরীক্ষামূলক প্রকল্পও চালু হবে।

মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণাকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে। কারণ, মিড-ডে মিলে ডিম না থাকার বিষয়টি নিয়ে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সরব হয়েছিল বিরোধী দলগুলি। তাদের অভিযোগ ছিল, পুষ্টিকর খাদ্য থেকে পড়ুয়াদের বঞ্চিত করা হচ্ছে। বিশেষ করে ইসকনকে মিড-ডে মিলের দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্তের পর থেকেই ডিম বাদ পড়ার আশঙ্কা তুলে রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করেছিল বিরোধীরা।

আরও পড়ুন:  ‘অতীতের বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনের সঙ্গে মিল আছে’, ককরোচদের মিছিল নিয়ে তোপ দিলীপের

বুধবার সেই বিতর্কের আবহেই মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা, ডিম সরবরাহে কোনও ঘাটতি থাকবে না। স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলির মাধ্যমে পৃথকভাবে ডিম বিতরণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে, যাতে পড়ুয়াদের পুষ্টির বিষয়টি নিশ্চিত করা যায়। পাশাপাশি, ইসকনের মাধ্যমে মিড-ডে মিল পরিবেশনের পরীক্ষামূলক উদ্যোগও নির্ধারিত সময়েই শুরু হবে বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, মিড ডে মিলের বৈষম্য দূর করা হয়েছে। হাই স্কুল ও আপার প্রাইমারিতে মিড ডে মিলের বরাদ্দ ছিল ১০ টাকা। প্রাইমারিতে ছিল ৬ টাকা ৭৮ পয়সা। এই বৈষম্য দূর করে প্রাইমারি স্কুলগুলির ক্ষেত্রেও পড়ুয়া পিছু মিড ডে মিলের জন্য বরাদ্দ ১০ টাকা করা হয়েছে। আগেই স্কুলগুলিতে মিড ডে মিল দেওয়ার দায়িত্ব ইসকনকে দিয়েছে রাজ্য সরকার। ১ আগস্ট থেকে সেই কাজ শুরু করবে ইসকন। সেদিন কলকাতার একটি বড় অংশের স্কুলগুলিতে পাইলট প্রোজেক্টের মাধ্যমে মিড ডে মিল দেওয়ার কাজ শুরু হবে। শুধু কলকাতার স্কুলগুলিতে নয়, রাজ্যের সব সরকারি স্কুলেই মিড ডে মিল দেওয়ার দায়িত্বে থাকছে ইসকন।

আরও পড়ুন:  মাত্র ২০ দিনেই তৈরি মিরিকের দুধিয়া বেইলি ব্রিজ, নবান্ন থেকে ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী

রাজ্য সরকারের দাবি, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে একদিকে যেমন মিড-ডে মিল প্রকল্পের গুণগত মান বজায় থাকবে, তেমনই স্থানীয় স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলিও আর্থিকভাবে লাভবান হবে। তবে বিরোধীরা সরকারের এই ঘোষণাকে কতটা গ্রহণ করে, নাকি নতুন করে এই ইস্যুতে রাজনৈতিক চাপ বাড়ায়, এখন সেদিকেই নজর রাজ্য রাজনীতির।  সেই সঙ্গে রাজ্যের বামদলগুলি কী প্রতিক্রিয়া দেয়, সেদিকেও রয়েছে নজর।

---Advertisement---

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment