---Advertisement---

বকেয়া বিলের দাবিতে টিএসইসিএল ঠিকাদারদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি, এমডির বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ!

By Suman Debnath

July 16, 2026 8:45 PM

---Advertisement---

আগরতলা, ১৬ জুলাই:
দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া বিল পরিশোধ না হওয়ার অভিযোগে ত্রিপুরা স্টেট ইলেকট্রিসিটি কর্পোরেশন লিমিটেড (টিএসইসিএল)-এর বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে টিএসইসিএল কন্ট্রাক্টর অ্যাসোসিয়েশন। বিদ্যুৎ নিগমের ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এমডি)-র বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতা, পক্ষপাতমূলক আচরণ এবং বিল নিষ্পত্তিতে বৈষম্যের অভিযোগ তুলে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির ঘোষণা করেছে সংগঠনটি।

অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শুক্রবার (১৭ জুলাই) প্রথম পর্যায়ে আগরতলা সার্কেলের ঠিকাদারেরা কর্মবিরতিতে সামিল হবেন। এরপর আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে পর্যায়ক্রমে রাজ্যের অন্যান্য সার্কেলের ঠিকাদারেরাও একই আন্দোলনে যোগ দেবেন।

সংগঠনের নেতাদের অভিযোগ, এক বছরেরও বেশি সময় ধরে বিপুল পরিমাণ বকেয়া বিল আটকে রাখা হয়েছে। বারবার সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলেও সমস্যার কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি। এর আগেও একই দাবিতে কর্মবিরতির ডাক দেওয়া হয়েছিল। তখন বিদ্যুৎ দপ্তরের মন্ত্রীর হস্তক্ষেপে দ্রুত বকেয়া বিল পরিশোধের আশ্বাস পাওয়ায় আন্দোলন প্রত্যাহার করা হয়। কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত না হওয়ায় ফের আন্দোলনের পথে হাঁটতে বাধ্য হয়েছেন বলে দাবি তাদের।

আরও পড়ুন:  আগরতলায় যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা দিবস পালন!

অ্যাসোসিয়েশনের আরও অভিযোগ, বিদ্যুৎ নিগমের এমডি নিজের ইচ্ছামতো কয়েকজন ঘনিষ্ঠ ঠিকাদারের বিল দ্রুত মিটিয়ে দিলেও অধিকাংশ ঠিকাদারের বিল দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন স্তরে আটকে রাখা হচ্ছে। বিল প্রক্রিয়াকরণের শেষ পর্যায়ে পৌঁছেও নানা অজুহাতে তা আটকে দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ তোলা হয়েছে।

সংগঠনের দাবি, গত বছরের দুর্গাপূজোর আগে জমা দেওয়া একাধিক বিল এখনও পর্যন্ত পরিশোধ করা হয়নি। ফলে বহু ঠিকাদার চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন। কর্মীদের বেতন, সরঞ্জামের মূল্য এবং অন্যান্য প্রশাসনিক ব্যয় মেটাতে গিয়ে তারা হিমশিম খাচ্ছেন। এমনকি কোনো ঠিকাদার অসুস্থতা বা জরুরি আর্থিক সমস্যার কথা জানিয়ে আংশিক বিল পরিশোধের আবেদন করলেও তাতেও সাড়া দেওয়া হয় না বলে অভিযোগ।

অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃত্বের বক্তব্য, বিদ্যুৎ নিগমের প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে এবং এমডি একতরফাভাবে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। এর ফলে ঠিকাদারদের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।

আরও পড়ুন:  ১৯৮০ সালের গণহত্যার বিচার ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের দাবিতে আমরা বাঙালীর কর্মসূচি!

তাদের স্পষ্ট ঘোষণা, সমস্ত বকেয়া বিল পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের এই কর্মবিরতি চলবে। আন্দোলনের জেরে বিদ্যুৎ দপ্তরের বিভিন্ন রক্ষণাবেক্ষণ, মেরামতি এবং উন্নয়নমূলক কাজ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কাও প্রকাশ করেছে সংগঠনটি।

---Advertisement---

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment