---Advertisement---

‘ধর্ষকদের সঙ্গে এটাই করা উচিত’, বারুইপুর এনকাউন্টারে পুলিশের পাশে কামদুনির টুম্পা-মৌসুমি

By Suman Debnath

July 8, 2026 11:13 PM

---Advertisement---


বারুইপুরের নাবালিকা ধর্ষণ ও খুন মামলার অন্যতম অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের এনকাউন্টারে মৃত্যুর পর প্রতিক্রিয়া দিলেন কামদুনি আন্দোলনের দুই পরিচিত মুখ টুম্পা কয়াল ও মৌসুমি কয়াল। তাঁদের দাবি, নারী নির্যাতনের ঘটনায় দ্রুত ও কঠোর পদক্ষেপই অপরাধ দমনের পথ।

বারুইপুর নাবালিকা ধর্ষণ ও খুন মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের পুলিশের গুলিতে মৃত্যুর ঘটনায় রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যেই পুলিশের পদক্ষেপকে সমর্থন জানালেন কামদুনি আন্দোলনের দুই মুখ টুম্পা কয়াল ও মৌসুমি কয়াল। তাঁদের বক্তব্য, ধর্ষণ ও নৃশংস অপরাধে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোরতম ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে কামদুনি মামলায় বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে দীর্ঘদিনের ক্ষোভও উগরে দেন তাঁরা।

পুলিশের দাবি, মঙ্গলবার গভীর রাতে ঘটনার পুনর্নির্মাণের জন্য প্রভাস মণ্ডলকে ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেই সময় তিনি এক পুলিশকর্মীর আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আত্মরক্ষার্থে পুলিশ গুলি চালায়। পরে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন:  বারুইপুরে ঘটনায় গ্রেপ্তার আরও ৫, মোট ধৃত ৩৫

এই ঘটনার পর সংবাদমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে টুম্পা কয়াল ও মৌসুমি কয়াল বলেন, তাঁদের মতে ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। কামদুনি মামলার প্রসঙ্গ টেনে তাঁরা দাবি করেন, দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তাঁরা প্রত্যাশিত বিচার পাননি। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই বারুইপুরের ঘটনায় পুলিশের পদক্ষেপকে তাঁরা সমর্থন করছেন।

২০১৩ সালে উত্তর ২৪ পরগনার কামদুনিতে এক কলেজছাত্রীকে অপহরণ, গণধর্ষণ ও খুনের ঘটনা রাজ্যজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। সেই ঘটনার প্রতিবাদে সামনের সারিতে ছিলেন টুম্পা ও মৌসুমি কয়াল। পরবর্তী সময়ে মামলার বিচারপ্রক্রিয়া এবং আদালতের বিভিন্ন পর্যায়ের রায় নিয়েও একাধিক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল।

মৌসুমি কয়াল অভিযোগ করেন, অতীতে অপরাধীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হলে নারী নির্যাতনের ঘটনা অনেকটাই কমানো সম্ভব হতো। তাঁর মতে, বারুইপুরের ঘটনায় প্রশাসনের কড়া পদক্ষেপ সাধারণ মানুষের মধ্যে কঠোর বার্তা দিয়েছে।

আরও পড়ুন:  জোকা–এসপ্ল্যানেড মেট্রো প্রকল্পে ঐতিহাসিক সাফল্য, টিবিএম ‘দুর্গা’-র ব্রেকথ্রু অনুষ্ঠান ঘিরে উৎসাহ

তবে বারুইপুর এনকাউন্টারকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে ভিন্নমতও সামনে এসেছে। একাংশ পুলিশের পদক্ষেপকে সমর্থন করলেও, অন্য অংশ আইনি প্রক্রিয়া ও এনকাউন্টার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। ফলে ঘটনাটি এখন শুধু অপরাধ তদন্তের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং রাজ্যের রাজনৈতিক বিতর্কেরও অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।

এদিকে পুলিশ জানিয়েছে, বারুইপুর নাবালিকা ধর্ষণ ও খুন মামলার তদন্ত এখনও চলছে। গ্রেফতার হওয়া বাকি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রমাণ সংগ্রহ ও চার্জশিট তৈরির কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। মামলার পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার দিকেই এখন নজর সংশ্লিষ্ট মহলের।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে



Google News







এবং Google Discover



Google Discover



-এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

---Advertisement---

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment