আগামী নভেম্বর মাসে পুরসভার নির্বাচন যে হচ্ছে না পশ্চিমবঙ্গে সেটা এখন দিনের আলোর মতো পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে। ৬টি পুরসভার নির্বাচন হতে চলেছে ডিসেম্বর এবং ফেব্রুয়ারি মাসে। কলকাতা এবং হাওড়া পুরসভার নির্বাচন সম্ভবত ডিসেম্বর মাসে হবে। আর বাকি চারটি হতে পারে ফেব্রুয়ারি মাসে। কলকাতা পুরসভার বোর্ড ভেঙে গিয়েছে। এখন তা চালানো হচ্ছে প্রশাসক দিয়ে। আর হাওড়ায় পুরসভার নির্বাচন দীর্ঘদিন হয়নি। এই আবহে পুরসভার নির্বাচনগুলিতে যাতে বিজেপি জিততে পারে তার জন্য আবার কলকাতায় আসছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন। তিনি এখানে এসে পুরসভা নিয়ে স্ট্র্যাটেজি বাতলে দেবেন বলে মনে করা হচ্ছে।
এদিকে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন আবার কলকাতার সফরে আসা নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ। চলতি বছরের শেষেই কলকাতা এবং হাওড়ার পুরসভার ভোট হবে বলে জানা যাচ্ছে। দুই পুরসভার নির্বাচনে কারা প্রার্থী হবেন সেটা নিয়ে বিজেপির অন্দরে নানা গুজন ছড়িয়েছে। বিজেপি এককভাবে প্রার্থী দিতে পারবে কিনা সেটা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। কারণ এনসিপিআই দলে যোগ দেওয়া ২০ জন সাংসদ তাঁদের সন্তানদের বিজেপির টিকিটে দাঁড় করাতে চান। আবার তৃণমূল কংগ্রেসের বহু কাউন্সিলর বিজেপির টিকিটে লড়তে চাইছেন। এমন খবর সামনে আসায় বিজেপি নতুন রণনীতি সামনে নিয়ে আসতে পারে বলে সূত্রের খবর। তাই নীতিন নবীন আবার কলকাতায় আসছেন এবং রাজ্যের বিজেপি নেতাদের সঙ্গেও তিনি একাধিক বৈঠক করবেন বলে জানা যাচ্ছে।
অন্যদিকে আগামী ২ নভেম্বর নীতিন নবীনের কলকাতায় আসার কথা। সেদিন রাজ্য বিজেপির নেতাদের সঙ্গে ম্যারাথন বৈঠক করবেন তিনি। কালীপুজোর আগেই বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি বঙ্গে আসবেন। কালীঘাটে পুজো দিতে পারেন বলেও জানা গিয়েছে। বিজেপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী ২ তারিখই সর্বভারতীয় সভাপতি কলকাতা আসছেন। পুরসভার নির্বাচন নিয়ে বড় বড় বৈঠক করবেন রাজ্যের নেতৃত্বের সঙ্গে।
তাছাড়া গত সেপ্টেম্বর মাসের শেষেই নীতিন নবীন রাজ্যে এসেছিলেন। দু’দিনের সেই সফরে ঠাসা কর্মসূচি ছিল তাঁর। বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেন। কলকাতা এবং হাওড়া পুরসভার নির্বাচনে কৌশল, প্রার্থী বাছাই নিয়ে বিস্তারিত আলোচনাও বৈঠকে হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। এবারের সফরে এসে দুই পুরসভার ভোটে প্রার্থী তালিকা নিয়েই বৈঠক হতে পারে। আগামী ডিসেম্বর মাসে এই দুই পুরসভার হবে বলে খবর। সুতরাং পুরসভার নির্বাচন যে বিজেপির এখন পাখির চোখ সেটা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে।
Leave a Comment