---Advertisement---

লোহিত সাগরেও টোল বসাতে চায় হুথি গোষ্ঠী

By Suman Debnath

July 30, 2026 3:31 PM

লোহিত সাগরেও টোল বসাতে চায় হুথি গোষ্ঠী

---Advertisement---


লোহিত সাগরের দক্ষিণাংশ দিয়ে যাতায়াতকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর ওপর টোল আরোপ করার কথা ভাবছে ইয়েমেনের বিদ্রোহীগোষ্ঠী হুথি ।


বুধবার (২৯ জুলাই) টাইমস অফ ইসরায়েলের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ইরান সমর্থিত এই গোষ্ঠীটি গত ২০ জুলাই সৌদি আরবের বিরুদ্ধে সামুদ্রিক নিষেধাজ্ঞা জারি করে, যা ইরান যুদ্ধের একটি নতুন ক্ষেত্র উন্মোচন করেছে। হুথিরা এডেন উপসাগরের সঙ্গে লোহিত সাগরকে যুক্ত করা বাব-এল মানদেব প্রণালি দিয়ে যাতায়াতকারী অধিকাংশ জাহাজের ওপর শুল্ক ধার্য করার পরিকল্পনা করছে, যদিও তা বাস্তবায়নের নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা প্রকাশ করা হয়নি।


সংবাদ সংস্থাটিকে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে যে নিহত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যোগ দিতে জুলাই মাসে হুথি কর্মকর্তারা তেহরান সফর করেন। সেখানে ইরানি কর্মকর্তারা আন্তর্জাতিক জলসীমায় শুল্ক আদায়কে একটি সাধারণ চর্চায় পরিণত করা এবং যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপ বাড়াতে তাদের সঙ্গে এই পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন। তবে চীনের জাহাজগুলোকে এই শুল্কের আওতামুক্ত রাখা হবে, কারণ তারা আগেই হুথিদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে নিরাপদে চলাচলের বিষয়ে সমঝোতা করেছিল।

আরও পড়ুন:  হামের উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ৮ জনের


একটি সুনির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা সংস্থা গঠন করে এই ফি নিয়ন্ত্রণ করতে হুথি কর্মকর্তাদের সহায়তার জন্য ইরানি উপদেষ্টারা ইয়েমেনে ফিরেছেন বলে এক আরব কর্মকর্তা জানিয়েছেন। ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের মনোনীত পররাষ্ট্রমন্ত্রী আফরা আল-জুবা জানান যে হুথিরা লোহিত সাগরের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে এবং জাহাজ থেকে অর্থ আদায় করতে চেষ্টা চালাবে।


উপসাগরীয় ও ইউরোপীয় দেশগুলো এই উদ্যোগের তীব্র বিরোধিতা করলেও আন্তর্জাতিক নৌবাহিনী বর্তমানে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে পুরোপুরি সুরক্ষা দিতে পারছে না। অন্যদিকে হরমুজ প্রণালি যৌথভাবে পরিচালনা এবং শুল্ক আদায়ের বিষয়ে ওমানের একটি প্রস্তাব ইরান প্রত্যাখ্যান করায় ওই অঞ্চলে বাণিজ্যিক অচলাবস্থা কাটানোর আশা ভেস্তে গেছে।


বাব-এল মানদেব প্রণালি বন্ধ বা ফি আরোপের কারণে তেল সরবরাহে মারাত্মক ঘাটতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা সৌদি আরবের জন্য বিকল্প রুট বন্ধ করে দেবে। লোহিত সাগর ও সুয়েজ খাল হয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা ঘুরে এশিয়ার দিকে যেতে ৫০ দিন সময় লাগলেও এই সংক্ষিপ্ত প্রণালি দিয়ে যেতে মাত্র ১৬ দিন সময় লাগে। ২০২৪ সালেও তারা নিরাপদ চলাচলের বিনিময়ে মাসিক প্রায় ১৮ কোটি ডলার ফি আদায় করেছিল বলে জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল।

আরও পড়ুন:  রাষ্ট্রপতির সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ বিদায়ি নৌপ্রধানের


সূত্র: টাইমস অফ ইসরায়েল


আমার বাঙলা/ হুমায়রা

---Advertisement---

Suman Debnath

Journalist

No comments to show.

Leave a Comment